জাদুঘর তৈরির ইতিহাস।


পৃথিবীর শুরু থেকে আজ পর্যন্ত যতো ইতিহাস জমা হচ্ছে তারই প্রতিচ্ছবি হলো জাদুঘর। জাদুঘরের ইংরেজি 'মিউজিয়াম' শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ 'মিউজয়ন' থেকে, যার অর্থ 'কাব্যাদির অধিষ্ঠাত্রী দেবীর মন্দির'। বাংলায় জাদুঘর কথাটির অর্থ হলো, যে গৃহে অদ্ভুত পদার্থসমূহ সংরক্ষিত আছে এবং যা দেখে মন্ত্রমুগ্ধ হতে হয়। প্রথমদিকে খ্রিস্টপূর্ব ৩ অব্দে মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ান একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। যে কোনো উৎসব থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করে শিক্ষিত ও পণ্ডিত ব্যাক্তিদের মনে কিছু আগ্রহ জন্মানোই ছিলো এর উদ্দেশ্য। পড়ুয়া ওই পণ্ডিতরা ওখানেই থাকতেন এবং নিজেদের গবেষণা চালিয়ে যেতেন। জাদুঘরটি কিছু কিছু শিল্পকলার কাজ, প্রাচীন নিদর্শন, যেমন- প্রস্তরমূর্তি, নভোবিজ্ঞান ও শল্যাচিকিৎসার যন্ত্রপাতি, হাতির দাঁত, অস্বাভাবিক প্রাণীর চামড়া প্রভৃতির প্রদর্শন করতো। উনবিংশ শতাব্দীতে রাজ ও অভিজাত পরিবারের মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে শিল্পকলার প্রাচীন নিদর্শন সংগ্রহ করে জাদুঘর গড়ে তোলার প্রবণতা শুরু হয়। ওই জাদুঘরগুলো ছিলো ওইসব পরিবারের নিজস্ব সংগ্রহশালা। শুধুমাত্র পরিবারের লোকজন ও তাদের বন্ধুমহলই এসব জাদুঘর ব্যবহার করতে পারতো। উনবিংশ শতাব্দীতে প্রথম জাদুঘরের নিমিত্তে বিশেষ কায়দায় ভবন নির্মিত হয়। বর্তমানে পৃথিবীর সব বড় বড় শহরে জাদুঘর দেখতে পাওয়া জায়।
নাইমুল ইসলাম

পোস্টটি লিখেছেন
আমি জয়। আমি এই ব্লগের এডমিন। ঢাকা পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের স্থাপত্য বিভাগের একজন ছাত্র। আমি খুলনা থেকে ঢাকায় পড়তে এসেছি। আমি ব্লগ লিখি এবং আমি একজন ইউটিউবার। এর পাশাপাশি আমি গ্রাফিক ডিজাইন এর কাজ করি। ঘুরে বেড়ানো এবং সিনেমা দেখা আমি খুব পছন্দ করি।
Follow her @ Twitter | Facebook | YouTube

No comments

পোস্টটি কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে জানাতে পারেন । আপনাদের কোন সমস্যাও কমেন্ট করে জানাতে পারেন। আমরা যতটুকু সম্ভব সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো ।

Theme images by sbayram. Powered by Blogger.